মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ইতিহাস ঐতিহ্য

                                

        আবহামান বাংলার ঐতিহ্যময় এক শিল্প নগরী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা। রূপসী বাংলার অপরূপ নিদর্শণ এ অঞ্চলে রয়েছে সর্বজন পরিচিত হযরত শাহ ফতেহউল্লাহ (রঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ। আজ থেকে প্রায় পাচঁশত বছর পূর্বে সুদুর বাগদাদ নগরী থেকে দিল্লী হয়ে আধ্যাত্মি সাধু সম্রাট শাহ ফতেহউল্লাহ ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এখানে আসেন। পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যুর পরে এখানেই কবরস্থ করা হয়। তার নাম থেকেই এক সময় পরগনা হিসেবে বিবেচিত এ  এলাকার একটি অঞ্চল ফতুল্লা নামকরন করা হয়। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত সুফী সাধকের স্মৃতি বিজড়িত ফতুল্লা অঞ্চল। এ মাটি যাদের চরনস্পর্শে পবিত্র তাদের মধ্যে শীর্ষ মহলের সাধু নাগ মহাশয়, লক্ষন সাধু ও বিবি মরিয়ম অন্যতম। এ ছাড়াও এ অঞ্চলে জম্মগ্রহন করেছেন অসংখ্য কবি-সাহিত্যক, নাট্যকার, ডাক্তার, আইনজীবি, ইঞ্জিনিয়ারসহ স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ। একপাশে বুড়িগঙ্গা নদী অন্যপাশে শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় পার ঘিরে আশেপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ; যা রীতিমতো মানুষকে আকৃষ্ট করে তুলে। বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী বিধৌত এ অঞ্চল ছিল প্রাকৃতিক রূপময়তা ও খাল-বিল, ডোবা নালায় পরিপূর্ণ  এক জোয়ার ভাটার অঞ্চল। কেবল শহর নারায়াগঞ্জ ব্যতিত এখানকার প্রায় অঞ্চলই ছিল জলাধারে নিমজ্জিত। ক্ষণে জোয়ার, ক্ষণে ভাটা, এক কথায় জোয়ার ভাটার এলাকাও বলা হতো নারায়ণগঞ্জ জেলাকে। প্রাচীনকালে পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠি এ অঞ্চলে এসে কর্তৃত্ব করতেন। ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যার মিলনস্থলের অবস্থান ছিল পশ্চিমে দেওভোগ উত্তরে খিজিরপুর পর্যন্ত। আর নারায়ণগঞ্জের দক্ষিণাঞ্চলের পুরোটাই ছিল নদী গর্ভে নিমজ্জিত। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পর্তুগীজ জলদস্যুরা এখানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। তাদের বিচরন ছিল সারা বাংলায়। তাদের কবল থেকে এ অঞ্চলকে উদ্ধার করার জন্যই মোঘল আমলে প্রাদেশিক রাজধানী আবিস্কার করা হয়। সেই থেকে ধীরে ধীরে এ অঞ্চল জেগে ওঠে লোকালয় ঘিরে।

 

       ২৯২ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রম্নয়ারী নারায়ণগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষনা করা হয়। বর্তমানে ৫টি উপজেলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আধুনিক নারায়ণগঞ্জের রূপ রেখায় চলে আসে। উপজেলাগুলো হলো ১। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, ২। বন্দর উপজেলা, ৩। আড়াইহাজার উপজেলা, ৪। রূপগঞ্জ উপজেলা ও সোনারগাঁ(বৈদ্দ্যেরবাজার) উপজেলা। এ উপজেলাগুলোর মধ্যে প্রায় ৮টি পৌর ওয়ার্ড, ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা গঠিত। সদর উপজেলার জনসাধারনের প্রাচীন জীবন যাত্রা ছিল অত্যমত্ম সহজ সরল ও প্রাঞ্জলতায় পরিপূর্ণ।

 

        নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৬টি নদী অর্থাৎ মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ব্রক্ষ্ণপুত্র, ধলেশ্বরী ও বালুনদীর অস্তিত্ব থাকলেও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতায় রয়েছে ৩টি নদী। নদীগুলো হলোঃ ১। শীতলক্ষ্যা, ২।বুড়িগঙ্গা ও ৩। ধলেশ্বরী। তবে শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এখানে ধলেশ্বরীর সীমানা সামান্য এলাকা নিয়ে অবসিহত। বলতে গেলে প্রায় ২৬ মাইল দীর্ঘ বুড়িগঙ্গা নদী সাভারের নিকট থেকে যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী থেকে উৎপত্তি হয়েছে, আবার নারায়ণগঞ্জের কিছৃু উত্তরে (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিমিঃ পশ্চিমে) ফতুল্লা ধর্মগঞ্জের তিন গাঙ্গের মোড় থেকে উত্তরে তা ধলেশ্বরীতই মিশে গেছে। নারায়ণগঞ্জের পূর্ব সীমানায় মেঘনা নদী প্রবাহিত হলেও পশ্চিমে সীমানার কিছু অঞ্চল জুড়ে বুড়িগঙ্গা ও দক্ষিন-পশ্চিম সীমানায়  কয়েক মাইল এলাকা নিয়ে ধলেশ্বরী প্রবাহিত। এখানে রেলপথ নির্মানের পূর্বে ঢাকার সাথে নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগ মূলত শীতলক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীপথেই হতো। পলাশীর যুদ্ধের পর পরই এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা ক্রমাগত উন্নতি  হতে থাকে। তৈরী হয় রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রীজ ইত্যাদি। নারায়ণগঞ্জের ইতিহাসের প্রেক্ষাপট যেভাবে সাজানো হয়েছে, সদর উপজেলার আশপাশের এলাকাগুলো সেভাবে ইতিহাসে স্থান করতে পারেনি। অথচ সোনারগাঁ, বৈদ্দ্যেরবাজার, পানাম, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার ও শহর নারায়ণগঞ্জকে  ইতিহাসের পাতায় স্থান করে দিয়েছে। এখানকার ইতিহাসে সিদ্দিরগঞ্জ ও কাচঁপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার ইতিহাসের বিষয় উলে­খ থাকলেও ফতুল­া, আলীগঞ্জ অথবা পাগলার ইতিহাস খুব একটা গুরম্নত্বভাবে গাথাঁ হয়নি। কেবলমাত্র দাপা ও ফতুল্লা ঘাঁটির নাম আমরা ইতিহাসের পাতায় খুজেঁ পাই। অত্যন্ত গুরম্নত্বের বিষয় হলো, ঈশাখার আমলে খিজিরপুর নৌ-ঘাটির পরই দাপা ও ফতুল্লা দূর্গের কথা বার বার উলে­খ রয়েছে। ফতুল্লার কাছে বুড়িগঙ্গা নদী মোড় নেয়ার ফলে অনেক আগেই দূর্গ দুটি নদীগর্তে বিলীন হয়ে যায়। মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের চট্রগ্রাম অভিযান কালে দাপা দূর্গের সেনাধ্যক্ষ মোহাম্মদীবেগ একশত নৌযানসহ এই অভিযানে যোগদেন। দাপা দূর্গটি চাদঁপুর জেলার কাছাকাছি সংগ্রাম গড়ের সাথে ত্রিশ মাইল দীর্ঘ একটি সামরিক সড়ক দ্বারা যুক্ত ছিল। এ থেকেই এ দূর্ঘটির গুরম্নত্ব অনুধাবন করা যায়। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত দাপার কাছে পাগলা বাজারে ধ্বংসপ্রাপ্ত পাগলা পুলের বিষয়টিও কারো অজানা নয়। ১৬৬৬ খ্রিঃ ফরাসী পরিভ্রাজক ভার্নিয়ার এস্থান পরিদর্শনকালে পাগলায় মীরজুমলা নির্মিত চমৎকার একটি সেতুর বর্ণনা আমরা খুঁজে পাই। তিনি পাগলা পুলকে ‘‘টিউডর গথিক’’ নির্মান কারম্নকাজের একটি সুন্দর নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করেন। আর এই ইতিহাসের বিষয়টিও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতাধীন।

 

            ১৯৭১ সালের যুদ্ধপরবর্তী সময়গুলোতে ব্যাপক শিল্পয়নের ফলে বিভিন্ন কলকারখানার বিষাক্ত বর্জে এ চমৎকার নদীগুলোর গ্রহনযোগ্যতা অনেকাংশেই হারিয়ে গেছে। এখন আর সেই কাকের চোখের মতো টলমলা নদীর জল আমরা দেখতে পাইনা। বর্ষা মৌসুমে রম্নই, কাতলা, বোয়াল, চিতলের মার পড়েনা আর। নদী তার নাব্যতা হারিয়েছে আর প্রতিদিন প্রতিক্ষন মৃত্যুর যন্ত্রনায় বাংলার সোনালী ইতিহাস বুকে ধারন করে ধ্বংসের প্রহর গুনছে প্রাকৃতিক এ নদীগুলো।

 

            এ অঞ্চরের প্রতিটি মানুষ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে জ্ঞাত। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে স্বরণীয় ও বরণীয় এক অধ্যায়। যেহেতু নারায়ণগঞ্জ থেকে ১০ কিঃমিঃ অদুরেই অবস্থিত ঢাকা জেলা, তাই পার্শ্ববর্তী জেলা হিসেবে পাকিসত্মানী স্বৈরশাসককে উৎখাত করার জন্যই এ এলাকার জনগন ছিল প্রতিবাদমুখর। সেই বিপ­বের জোয়ারে স্থানীয় বরেণ্য ব্যক্তিবর্গসহ তারুন্যদীপ্ত জনগোষ্ঠী মাত করেছে ঢাকার রাজপথকে। তৎকালীন ছাত্রনেতা শামসুজ্জোহা, বজলুর রহমান, বদরম্নজ্জামান, মফিজ উদ্দিন, হাবিব রশিদ, সুলতান মাহমুদ মলি­ক, কাজী মজিবুর , শেখ মিজান ও এনায়েত নগরের শামসুল হক প্রমুখের নের্তৃত্বে  বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং হরতাল পালন করেন। আর ভাষা আন্দোলনে স্বক্রীয় ভূমিকা নিতে সক্ষম হন। এখনও এ অঞ্চলের প্রতিটি মানুষ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে অমত্মরে ধারন করে প্রতিবৎসর ২১শে ফেব্রম্নয়ারী প্রভাতফেরীতে অংশগ্রহন করেন।

 

 

 

            ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক বলিষ্ট ভূমিকা ছিল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাধীন সুসংঘঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার এম,এ গনি, মোহাম্মদ আলী, মোঃ নাসির উদ্দিন, মহিউদ্দিন রতন, নুরম্নল ইসলাম, মোঃ সামসুল হক, মমিনুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান প্রমুখ উলে­খযোগ্য। এদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী ও হাবিবুর রহমান দিল­ীতে ট্রনিং গ্রহন করেন। তাদের গ্রম্নপটি সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ফিরে প্রথমেই ফতুল­া থানায় আক্রমনকরেন। তদের আক্রমনে থানার দায়িত্বরত ওসিসহ সমসত্ম পুলিশ তাদের কাছে আত্নসমর্পন করেন। তারা থানা আক্রমনের পর রক্ষিত যাবতীয় মালামাল অস্ত্রসস্ত্র হাতিয়ে নিয়ে  থানায় আগুন ধরিয়ে দেন। পাগলা বাজারে কমর আলীর নেতৃত্বে ও আলীগঞ্জে হাফেজ মোক্তার হোসেনের নেতৃর্ত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন এলাকায় অপারেশন চালায়। ফতুল­ার ডালডার মিল এলাকা ছিল  সেনাদের দখলে। প্রতিরাতে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে এনে যুমনা জেটির কাছে নিয়ে আসত এবং গুলিবর্ষন করে হত্যার পরে লাশগুলো বুড়িগঙ্গা নদীর জলে নিক্ষেপ করে ভাসিয়ে দেওয়া হতো জানা যায়। সে সময় হাবিবুর রহমানের গ্রম্নপের সংগে পাকবাহিনীর প্রায় ২ঘন্টা গুলি বিনিময় হয়। এই সংঘর্ষে পাক বাহিনীর ২জন সেনা গুরম্নতরভাবে আহত হয়। মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে পাগলার কাছে একটি রেলওয়ে পুল মুক্তিযোদ্ধারা ডিনামাইটের সাহায্যে উড়িয়ে দিয়ে সেনাদের চলাচলে ব্যাঘাত ঘটান। মুক্তিযোদ্ধা দুলাল ও আমিনুর ডিক্রিরচর ও কানাইনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি শক্তিশালী গ্রম্নপ তৈরী করেন। বাবুরাইলের মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল আশ্রাফ যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ কৃতিত্ব দেখাতে সক্ষম হন।

 

            শীতলক্ষ্যার পূর্বতীরের সোনারগা ছিল বাংলার প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি। সেই সোনারগাঁর সাথে মিল রেখেই এখানকার সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে উঠেছে। মূলত সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে এখানে যে সমস্ত উৎসব হতো তাহলো বিভিন্ন পূজা-পর্বণ, বিয়ে-শাদি, মহরম, নবান্ন উৎসব, ঘুড়ি উৎসব, নৌকা বাইচ, বৈশাখী মেলা, ঘোড়া দৌড়, কাবাডি ও কোসিত্ম খেলা ইত্যাদি। নাট্যকর্মের ইতিহাসও অন্যান্য এলাকা থেকে সুদৃঢ় ছিল। শহর নারায়ণগঞ্জের পরেই এ অঞ্চলগুলোতে বিশেষ করে বিভিন্ন মাঠে, ময়দানে, মাসব্যাপী যাত্রাপালা ও বাউল গানের আয়োজন করা হতো। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন সবুজ বলেন, পেশাগত দিক থেকে এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান নির্ভরতাই ছিল কৃষিকাজ। এখানকার মানুষ সারাদিন একটানা পরিশ্রম করে রাতের বেলা বাড়ি-বাড়ি গাজী-কালু অথবা রম্নপবান-চম্বাবতীর পুথিঁ পাঠের আয়োজন করতেন। এ অঞ্চলে দু’জন প্রখ্যাত কবি ছিলেন। একজন কবি মহিউদ্দিন এবং অন্যজন কবি আবদুল আউয়াল প্রধান। কবি মহিউদ্দিনের জম্ম ১৯০৬ সালের জানুয়ারী মাসে। তার পূর্বপুরম্নষদের ভিটেমাটি মুন্সিগঞ্জে হলেও তিনি সাহিত্য ও কর্মজীবন অতিবাহিত করেন হযরত শাহ ফতেহউল্লাহ (রঃ) এর স্মৃতিবিজড়িত ফতুল্লার অদুরে দাপা ইদ্রাকপুর গ্রমের সাহিত্য শিবিরে। তিনি ছিলেন মূলত রবীন্দ্র-নজরুলে যুগের কবি। তার সম্পর্কে বলতে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, কবি মহিউদ্দিন রচিত ‘‘ মহামানবের মহা জয়গান’’ বইখানি গভীরতা ও ঔদার্যে আমার মনকে আকর্ষন করেছে। কবি আবদুল আউয়াল প্রধানের জম্ম ফতুল্লা থানার অন্তর্গত দেলপাড়া গ্রামে, ১৯৪৪ সালের মে মাসে তিনি জম্ম গ্রহন করেন। তিনি ছিলেন মূলত ষাটের দশকের একজন প্রতিষ্ঠিত কবি। এ দুজন বিখ্যাত মানুষের পদাঙ্ক অনুসরন করে এখানে গড়ে উঠেছে ‘‘ বিকাশ সাহিত্য সংসদ’’ ‘‘মনন সাহিত্য সংগঠন’’ ‘‘বাংলাদেশ ছড়া সংসদ’’ সিদ্দিরগঞ্জ এলাকায় রয়েছে ‘‘ স্বপ্নসিড়ি মিডিয়া’’ ও গোদনাইলে বেশ কয়েকটি সাহিত্য সংগঠন অধ্যাবধি সাহিত্য ও মানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। এ এলাকার উলে­খ্যযোগ্য কবি-ছড়াকা রদের মধ্যে অন্যতম কবি হালিম আজাদ, ছড়াকার খালেদ হোসাইন, ছড়াকার মতিউর রহমান মনির, নজরুল ইসলাম শান্তু, মোরশেদ কমল, এস এ শামীম, আবু নাফিছ, জয়নাল আবেদীন বিল্লাল, এস,এম শাহাব উদ্দিন, কামাল সিদ্দিকী, শামসুল ইসলাম দুলাল, চান মিয়া চান্দু, মুশফিকুর রহমান লিটন, মোঃ আল মনির, কবির আহাম্মদ, হোসাইন বাপ্পী ও আফজাল হোসেন লিপুর নাম বিশেষভাবে উলে­খযোগ্য।

 

 

সংগ্রহেঃ  নজরুল ইসলাম শান্তু

সহকারী শিক্ষক (শরীর চর্চা)

ধর্মগঞ্জ ইসলামিয়া আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসা।